খুব সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন সাদ্দাম হোসেন৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন নিজেকে ক্ষমতার একেবারে শীর্ষে৷ ক্ষমতাগর্বী এই মানুষটি ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালান , আক্রমণ করে বসেন কুয়েত৷ তার ফলে ইরাকে চালানো হয় প্রথম মার্কিন হামলা৷ সাদ্দামের একটা বড় ভুল - বহু মুসলিম দেশকেও তিনি তাঁর প্রতি বৈরী করে তুলেছিলেন৷ তবে এটাও ঠিক যে এক সময় ইরানের ইসলামী শাসক গোষ্ঠী সম্পর্কে প্রবল অবিশ্বাসের কারণে ওয়াশিংটন , প্যারিস , মস্কো এবং ইউরোপে অন্যরাও সাদ্দামকে অকুন্ঠ সমর্থন দিয়েছিল৷ শিয়াপ্রধান ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই-এ প্রচ্ছন্ন মদদ ছিল সুন্নিপ্রধান আরব দেশগুলোরও৷ আজকের ইরাকে দখলদার বাহিনীর উপস্থিতিতে শিয়া সুন্নির বিভাজনটা আরো অনেক বেশি স্থায়ী হয়ে গেল সম্ভবত৷ শেষ মুহূর্তগুলো কেমন ছিল সাদ্দাম হোসেনের ? স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত ইরাকী প্রেসিডেন্টকে ফাঁসীকাঠে নিয়ে যাওয়া হয়৷ খুব শা ন্ত ছিলেন তিনি৷ দৃঢ় সাহসী পদক্ষেপে তিনি এগিয়ে যান৷ সেখানে উপস্থিত ছিল শুধু ইরাকীরাই - কোন আমেরিকান - কোন বিদেশী নয়৷ তাঁর শেষ কথা ছিল ইরাকী...